• ঢাকা
  • সোমবার, ২৩ মে, ২০২২, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯
প্রকাশিত: মার্চ ২৬, ২০২১, ০৮:০০ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : মার্চ ২৬, ২০২১, ০২:০১ পিএম

সুয়েজ খালের প্রভাবে বিশ্বে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধগতির শঙ্কা

সুয়েজ খালের প্রভাবে বিশ্বে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধগতির শঙ্কা

ধূলিঝড়ের কবলে পড়ে গতিপথ হারানো মালবাহী জাহাজ দ্য এভার গিভেন তিন দিন ধরেই আটকা পড়ে আছে সুয়েজ খালে। বিরাট এই জাহাজের আকার যুক্তরাষ্ট্রের ১০২ তলা বিশিষ্ট এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ের সমান। ৪০০ মিটার দীর্ঘ ও ৫৯ মিটার প্রশস্ত জাহাজটির ধারণক্ষমতা দুই লাখ টনেরও বেশি।

তাইওয়ানের জাহাজ এভার গিভেন নেদারল্যান্ডের রটারড্যাম বন্দরে যাওয়ার পথে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সুয়েজ খালে আটকা পড়ে। জাহাজটি উদ্ধারে এরই মধ্যে খাল খনন শুরু করেছে মিশর। এতে যুক্ত হয়েছে দুইটি ড্রেজার, নয়টি টাগ বোট আর চারটি ডিগার যন্ত্র।

তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, সাত লাখ ছয় হাজার কিউবিক ফুট বালু তুলতে সময় লাগতে পারে প্রায় দুই সপ্তাহ। এদিকে দ্য এভারগ্রিনের কারণে নৌযান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ায় আটকা পড়েছে কয়েকশো জাহাজ।

বিশ্বের ব্যস্ততম নৌপথে যানজটের কারণে অনেক দেশের আমদানি রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে পূর্ব প্রান্তের দেশগুলোর বাণিজ্য বাধাগ্রস্ত হওয়ায় প্রতিদিন ৯ দশমিক ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি-রপ্তানি আটকে যাচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান।

সুয়েজ খালে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলারের পণ্য আটকে যাচ্ছে প্রতি ঘণ্টায়। অতি দ্রুত এই জাহাজটি সরাতে না পারলে এর প্রভাবে বিশ্বে নিত্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। 

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, মহামারীর কারণে এরই মধ্যে সাগর পথে আমদানী হওয়া পণ্যের দাম ৩০ ভাগ পর্যন্ত বেড়েছে। আর সমুদ্রপথে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রায় ১০ শতাংশ সুয়েজ খাল হয়ে বিভিন্ন দেশে পৌঁছায়। তাই কয়েক দিনের মধ্যে এই যাতায়াত পথ উন্মুক্ত না হলে মালামালের দাম আরো বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তাই জোয়ারের সময় এভার গিভেনকে ঘুরিয়ে সোজা করা না গেলে মাল নামিয়ে আবারো চেষ্টা করা হবে। তবে এতেও সময় লেগে যাবে কয়েকদিন। এর আগে আরব জোটের সঙ্গে ইজরায়েলের যুদ্ধ চলাকালীন সুয়েজ খালে একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল।

আরও পড়ুন