• ঢাকা
  • বুধবার, ১৯ জুন, ২০১৯, ৫ আষাঢ় ১৪২৬
Bongosoft Ltd.
প্রকাশিত: জুন ৩, ২০১৯, ০৬:১১ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জুন ৩, ২০১৯, ০৬:১১ পিএম

নাওয়া-খাওয়া ভুলে দর্জিপাড়ায় দিন-রাত ব্যস্ততা 

জাগরণ প্রতিবেদক
নাওয়া-খাওয়া ভুলে দর্জিপাড়ায় দিন-রাত ব্যস্ততা 

দৌড়গোড়ায় মুসলিম সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। আর শেষ সময়ে এসে কয়েকগুণ ব্যস্ততা বেড়ে গেছে দর্জিদের। নাওয়া-খাওয়া ভুলে তারা দিন-রাত ব্যস্ত সময় পার করছেন গ্রাহকদের হাতে সেলাই করা পোশাকটি যথাসময়ে তুলে দিতে। ঈদে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি কাটা কাপড়ের চাহিদাও কম নয়। নামকরা টেইলারিং হাউজগুলোর পাশাপাশি ছোট ছোট দর্জি দোকানের কারিগরদের ব্যস্ততাও রয়েছে বহুগুণ।

দর্জি দোকানের মালিকরা বলছেন, গত বছরগুলোর মতো রমজানের আগে ও রমজানের প্রথম দিকে বেশি অর্ডার না হলেও এবার শেষ মুহূর্তে অনেক বেশি কাজ এসেছে। এজন্য  রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন তারা। তবে পোশাক তৈরিতে ব্যবহৃত উপকরণ ও দর্জি শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন গ্রাহক এবং টেইলার্স মালিকরা। নগরীর নামি-দামি টেইলার্সে রমজানের মধ্যেই অর্ডার নেয়া বন্ধ হয়ে গেছে। তবে ছোট ছোট টেইলার্সে ২০ রমজানের পরও অর্ডার নেয়া হয়।

সোমবার (৩ জুন) সকালে রাজধানীর আদাবর-শ্যামলী এলাকার ওয়াহিদ টেইলারিংয়ের মালিক জানান, অনেকেই এসেছিলেন তাদের অর্ডার দেয়া ঈদের পোশাক তুলতে। সময়মতো সরবরাহ করার চেষ্টা করছি।

আদাবরের জাফর টেইলার্সে মালিক জাফর আহম্মদ বলেন, এখন মানুষ রেডিমেন্ট পোশাকের প্রতি নজর বেশি। তারপরেও অনেক কাজ সময় মতো সরবরাহ করতে হবে। তবে আদাবরের আরিফ টেইলার্সের মালিক কাম কাটিং মাস্টার সাজু মিয়া জানান, তার কারখানায় ৫জন কারিগর দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের চোখে ঘুম নেই বললেই চলে। তারপরও সময় মতো ডেলিভারি দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

বাড্ডার সুমি-রুমি টেইলার্সের মালিক জানান, গত বছরের তুলনায় এবার কাজ কিছুটা কম। তবে শেষ মুহূর্তে এসে অর্ডার হয়েছে বেশি। অন্যবছরের তুলনায় টেইলার্সে ব্যবহৃত সামগ্রীর দাম ও  শ্রমিকের মুজরি অনেক বেড়ে গেছে। ফলে চাপটা পড়ছে গ্রাহকদের ওপর।

ঈদের কারণে টেইলারিং হাউজগুলোর প্রয়োজনীয় সামগ্রী চুমকি, পুঁতি, লেইস ফিতা, সুতা, বোতামের দোকানগুলোতেও ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। 

রূপালী টেইলার্সের মালিক জানান, ঈদ উপলক্ষে অনেক জিনিসের দাম বেড়ে যাওয়ায় তাদের খুবই অসুবিধা হচ্ছে। বিশেষ করে মহিলা ক্রেতাদের কোনোভাবেই বিষয়টি বোঝানো যাচ্ছে না।

ঈদ আসলেই বেড়ে যায় পায়জামা-পাঞ্জাবি, জোব্বা, বোরকার কারিগরদের কদর। এই কারিগররা ভাষ্য- মানুষ সারাবছর পোশাক তৈরি করে না। সাধারণত ঈদ ধনী-গরিব সবাই নতুন পোশাক বানায়। ফলে এই সময়টাতে কাজের চাপ বেড়ে যায়। এই মৌসুমের আয় দিয়েই তাদের সারাবছর চলতে হয়। এ কারণে মন-শরীরের দিকে না তাকিয়ে দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তারা।

টিএইচ/এসএমএম

Space for Advertisement