• ঢাকা
  • বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
প্রকাশিত: নভেম্বর ১২, ২০১৯, ০৯:৫৭ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : নভেম্বর ১২, ২০১৯, ০৯:৫৭ পিএম

ভোল্ট ইনচার্জসহ ৭ জন পুলিশ হেফাজতে

বেনাপোলে লকার ভেঙে ১৯ কেজি স্বর্ণ চুরি

বেনাপোল (যশোর) সংবাদদাতা
বেনাপোলে লকার ভেঙে ১৯ কেজি স্বর্ণ চুরি
চুরির ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেয়া ৭ জন - ছবি : জাগরণ

বেনাপোল কাস্টম হাউসের ভোল্ট ভেঙে ১৯ কেজি ৩৮৫ গ্রাম স্বর্ণ চুরি হয়ে গেছে। সোমবার (১১ নভেম্বর) রাত ১০টায় প্রাথমিক তদন্ত শেষে যশোর পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, শুক্র, শনি ও রোববার অফিস বন্ধ থাকায় এই তিন দিনের মধ্যে যেকোনো দিন চোরচক্র এ চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে।

এদিকে চুরির ঘটনায় বেনাপোল কাস্টম হাউসের একজন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা, একজন সিপাইসহ ৭ জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে। তারা হলেন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা সাইফুল, কাস্টম সিপাই পারভেজ খন্দকার, এনজিও কর্মী আজিবর, মহব্বত, সুরত আলী, টিপু সুলতান ও আলাউদ্দীন। এসব এনজিও কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে বেনাপোল কাস্টম হাউসে মাস্টাররোলে কাজ করে আসছিলেন।

তিনি আরও বলেন, কাস্টম হাউসের ওই ভোল্টে জব্দকৃত ২৯ থেকে ৩০ কেজি স্বর্ণ ও বৈদেশিক মুদ্রা, কষ্টিপাথরসহ মূল্যবান দলিলপত্র ছিল। সোমবার বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত দীর্ঘ অনুসন্ধান করে ১৯ কেজি ৩৮৫ গ্রাম স্বর্ণ কম পাওয়া গেছে। অন্যান্য বিষয় তদন্ত শেষে জানানো হবে।

এ সময় তদন্ত টিমের সহযোগী হিসেবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন যশোর ডিবি পুলিশের পরিদর্শক সোহেল আল মামুন, র‌্যাবের উপসহকারী পরিচালক কামরুজ্জামান, খুলনা থেকে আসা সিআইডির পরিদর্শক হারুন-অর-রশিদ, নাভারন সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার জুয়েল ইমরান, বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি মামুন খান ও ডিজিএফ আই, এনএসআই এর গোয়েন্দা সদস্যরা।

এ ঘটনায় কাস্টমের পক্ষ থেকে যুগ্ম কমিশনার মো. শহীদুল ইসলামকে প্রধান করে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ভোল্ট ইনচার্জসহ সাতজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

যুগ্ম কমিশনার মো. শহীদুল ইসলাম জানান, তদন্ত চলছে। তদন্ত রিপোর্ট দ্রুত কাস্টম কমিশনারের মাধ্যমে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেয়া হবে।

এনআই

আরও পড়ুন