• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই, ২০২০, ২৫ আষাঢ় ১৪২৭
প্রকাশিত: মে ৩১, ২০২০, ০৭:২২ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জুন ১, ২০২০, ০২:১৮ পিএম

কোভিড-১৯

সব রেকর্ড ভঙ্গ করে মৃত্যুর সংখ্যা ৪০

এসএম মুন্না
সব রেকর্ড ভঙ্গ করে মৃত্যুর সংখ্যা ৪০
অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা

আক্রান্তের ৮৫তম দিন

....

৮৫তম দিনে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মৃত্যুর সব রেকর্ড ভঙ্গ করলো বাংলাদেশ।

গত ২৪ ঘণ্টা দেশে মারা গেছেন আরও ৪০ জন। এর মধ্যে ৩৩ জন পুরুষ ও ৭ জন নারী। এ নিয়ে মোট প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে গিয়ে দাঁড়াল ৬৫০ জনে। 

জেলাভিত্তিক বিশ্লেষণে ঢাকা বিভাগে ২৮ জন, চট্টগ্রামে ৮ এবং অন্যান্য জেলার ৪ জন।

বয়স ভিত্তিক বিশ্লেষণে ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৪ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ১১ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৮ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ১১ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ৫ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত) দেশে নতুন করে ২ হাজার ৫৪৫ জনের দেহে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট শনাক্ত হলেন ৪৭ হাজার ১৫৩ জন। 

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৪০৬ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৯ হাজার ৭৮১ জন।

রোববার (৩১ মে) দুপুরে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে মোট ৫২টি ল্যাবে বর্তমানে নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। গত ২৪ ঘন্টায় মোট ১২ হাজার ২২৯ টি নমুনা সংগ্রহ হয়েছে। এখান থেকে ১১ হাজার ৮৭৬ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৩ লাখ ৮ হাজার ৯৩০টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনের নেয়া হয়েছে ৩৯১ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনের আছেন ৫ হাজার ৭৯৪ জন। এছাড়া আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ১২৬ জন। এ পর্যন্ত মোট ছাড় পেয়েছেন ৩ হাজার ১৬ জন।

নমুনা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৪৩ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ২০ দশমিক ৭৪ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

শনিবার (৩০ মে) শনাক্ত হয় ১ হাজার ৭৬৪ ও মারা যায় ২৮ জন। 

গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষা শুরু করে। ৮ মার্চ দেশে প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। ১৮ মার্চ প্রথম কোনও করোনা রোগী মারা যায়।

দেশে গত ২৮ এপ্রিল করোনা রোগী শনাক্ত হয় ৫৪৯ জন। এরপর ২৯ এপ্রিল ৬৪১ জন, ৩০ এপ্রিল ৫৬৪ জন, ১ মে ৫৭১ জন, ২ মে ৫৫২ জন, ৩ মে ৬৬৫ জন, ৪ মে ৬৮৮, ৫ মে ৭৮৬ জন, ৬ মে ৭৯০ জন, ৭ মে ৭০৬ জন, ৮ মে ৭০৯ জন এবং ৯ মে ৬৩৬ জন, ১০ মে ৮৮৭ জন, ১১ মে ১০৩৪ জন, ১২ মে ৯৬৯, ১৩ মে সর্বাধিক ১ হাজার ১৬২ জন, ১৪ মে ১০৪১, ১৫ মে ১২০২, ১৬ মে ৯৩০, ১৭ মে ১২৭৩, ১৮ মে ১৬০২, ১৯ মে ১২৫১, ২০ মে ১৬১৭, ২১ মে ১৭৭৩, ২২ মে ১৬৯৮, ২৩ মে ১,৮৭৩, ২৪ মে ১,৫৩২, ২৫ মে ১৯৭৫, ২৬ মে ১,১৬৬, ২৭ মে ১,৫৪১, ২৮ মে ২,০২৯, ৩০ মে ২৫২৩ ও ৩১ মে  জন করোনা রোগী ১,৭৬৪ শনাক্ত হয়।

বিশ্বে প্রাণহানি ছাড়ালো ৩ লাখ ৭০ হাজার। আর আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৬১ লাখ ৫০ হাজার। যার মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ২৭ লাখ ৩৪ হাজার মানুষ। তবে গত কয়েক দিনের তুলনায় বিশ্বে কমেছে মৃত্যুর সংখ্যা।

গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে ৪ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ওদিকে মৃত্যু কমেছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে একদিনে মারা গেছেন ১ হাজার ১৫ জন। আর এ নিয়ে দেশটিতে প্রাণহানির সংখ্যা ছাড়ালো ১ লাখ ৫ হাজার। নতুন ২৩ হাজারের বেশি মানুষসহ মোট আক্রান্ত ছাড়ালো ১৮ লাখ।

যুক্তরাষ্ট্রের পর একদিনে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ব্রাজিলে। দেশটিতে মারা গেছেন ৮৯০ জন মানুষ। এরপরেই রয়েছে মেক্সিকো সেখানে মারা গেছেন ৩৭১ জন।

মেক্সিকোতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮৪ হাজারের বেশি। তাছাড়াও যুক্তরাজ্যে নতুন করে ২১৫, রাশিয়ায় ১৮১ এবং ইতালিতে ১১১ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

মৃত্যুর হার কমেছে জার্মানি ও স্পেনে।

এসএমএম

আরও পড়ুন