• ঢাকা
  • সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৯, ৮ আশ্বিন ১৪২৬
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৯, ০৫:২৬ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৯, ০৫:২৯ পিএম

বিপন্ন প্রকৃতির আগ্রাসন: দাবানলে পুড়ছে অস্ট্রেলিয়ার পূর্বাঞ্চল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বিপন্ন প্রকৃতির আগ্রাসন: দাবানলে পুড়ছে অস্ট্রেলিয়ার পূর্বাঞ্চল

.................................................................................................................................

একদিকে নারকীয় আগুনে পুড়ছে 'পৃথিবীর ফুসফুস' হিসেবে পরিচিত লাতিন আমেরিকার অ্যামাজন বনাঞ্চল। আর এবার ভয়াবহ দাবনলে জ্বলছে অস্ট্রেলিয়ার পূর্বাঞ্চল। ভয়াবহ এ দাবানল ছড়িয়ে পড়ায় সেখান থেকে শত শত বাসিন্দাকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। মাত্র একদিনের ব্যবধানে দেশটির দুটি অঙ্গরাজ্যে ছড়িয়ে পড়া দাবানল নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খাচ্ছে দমকল বাহিনীর কর্মীরা। বিবিসি

মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা যায়, অস্ট্রেলিয়ায় এবারের দাবানলের মৌসুমটা খুব বাজেভাবেই শুরু হয়েছে । প্রতি বছর শুষ্ক মৌসুমেই প্রকৃতির এমন নরকাগ্নিতে পুড়তে হয় দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলকে।

সংবাদে আরো বলা হয়, কুইন্সল্যান্ডের বনাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া এই দাবানল থেকে রক্ষা করতে রাজ্যের বাসিন্দাদের এরইমধ্যে নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে আগুনের লেলিহান শিখা থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়নি বহু বাসস্থান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

এর মাত্র একদিন আগে অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস অঙ্গরাজ্যের সংলগ্ন বনাঞ্চলে সৃষ্ট দাবানলের আগুন রাজ্যের ৪০টি জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। এতে প্রায় ১ লাখ হেক্টর এলাকা ভস্মীভূত হয়ে যায়।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে সংস্থাটি জানায়, কুইনসল্যান্ডের দাবানলে প্রায় ১২টির মতো ঘর-বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়লেও কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল বাহিনীর প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন তারা। সোমবার রাতে প্রায় ৩০০ দমকল কর্মী আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে।

দাবানল খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় কুইন্সল্যান্ডের ৪০০ বাসিন্দাকে সরিয়ে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আগুন নিয়ন্ত্রণে না এলে হয়ত আরো বাসিন্দাকে সরিয়ে নেয়া হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অস্ট্রেলিয়াসহ সারা বিশ্বে বর্তমানে ভয়াবহ সব দাবানল ও ঘূর্ণিঝড়ের মত প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে মন্তব্য বিশেষজ্ঞদের। বিবিসি

এসকে
 

আরও পড়ুন

Islami Bank