• ঢাকা
  • সোমবার, ১১ নভেম্বর, ২০১৯, ২৭ কার্তিক ১৪২৬
প্রকাশিত: এপ্রিল ৬, ২০১৯, ০৬:৪০ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : এপ্রিল ৭, ২০১৯, ১২:৪৯ এএম

সৈয়দ জামিল আহমেদের নাটক ও ইতিহাস বিকৃতি

কামাল পাশা চৌধুরী
সৈয়দ জামিল আহমেদের নাটক ও ইতিহাস বিকৃতি
ন্যট্যকার জামিল আহমেদ - ছবি: সংগৃহীত

শহীদুল জহিরের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত, সৈয়দ জামিল আহমেদ নির্দেশিত ‘জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা’ নামের একটি নাটকের অনেক গুলো মঞ্চায়ন হল বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে।এরই মাঝে নাটকটি নিয়ে নাট্যপাড়াসহ বিদগ্ধ মহলে যথেষ্ট বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সৈয়দ জামিল আহমেদ দীর্ঘ বিরতির পর আবার একটি নাটক মঞ্চে নিয়ে এলেন। আমিসহ আমদের প্রজন্মের অনেকেই সৈয়দ জামিল আহমেদের নাটকের ভক্ত। বিশেষ করে মঞ্চ নাটকের সুবর্ণযুগে আমরা দেখেছি তাঁর 'বিষাদ সিন্ধু', ও ' বেহুলার ভাসান'। তাঁর শিল্পগুন বা মেধা নিয়ে আমার সামান্যতম বিরূপ ধারনা নাই। ‘জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা’ নাটক হিসাবে নির্মাণ ও উপস্থাপন নিশ্চিত ভাবেই মঞ্চসফল। নাটকটি মূলত: রাজনৈতিক ইতিহাসের পর্যালোচনা নির্ভর। এটা হতেই পারে।নাটকে রাজনৈতিক বক্তব্য নিয়ে বিতর্কও হতে পারে। কিন্তু একটা সুপরিকল্পিত ইতিহাস বিকৃতি বা জঘণ্য মিথ্যাচারকে ইতিহাস হিসাবে প্রচার বা স্থায়িত্ব প্রদানের চেষ্টাকে তো আর শিল্প বলা যায়না, এটা অপরাধেরই নামান্তর। 

বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর থেকেই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে পালটে দেয়া বা বিকৃত করার যে অপচেষ্টা শুরু হয়েছিল তার অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল ঘাতক-দালাল ও রাজাকার আলবদরদের রক্ষা করা। আর এই রক্ষা-কবজ হিসাবে চক্রান্তকারীরা বঙ্গবন্ধুর একটি মহৎ সিদ্ধান্তের মিথ্যা ব্যাখ্যাকেই প্রধান হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করেছে।এই মিথ্যাটাকেই শহিদুল জহির তুলে ধরেছেন তার উপন্যাসে আর জামিল আহমেদ তাকে মঞ্চে পূনঃপ্রচার করেছেন শিল্পের ভাষায়। 
বঙ্গবন্ধু কোনও যুদ্ধাপরাধী দালাল রাজাকারকে ক্ষমা করেছেন, এটা একটা মিথ্যাই শুধু নয়, জ্বলজলে ডাহা মিথ্যা। একজন নিরক্ষর নাগরিক এধরনের অপ-প্রচারে বিশ্বাস করতে পারে, কিন্তু একজন সচেতন সাহিত্যিক বা নাট্যকার শুধু শোনা কথার উপর ভিত্তি করে একটা উপন্যাস লিখেছেন বা তাকে নাটকের বিষয়বস্ত করেছেন, এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। তাও কোনও সাধারণ মাপের নেতা নয়, স্বয়ং জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কর্মকান্ডের মিথ্যা ব্যখ্যা প্রচার করে মুক্তিযুদ্ধকে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয় মুর্খতা অথবা ভন্ডামী। নাটকের চরিত্র আওয়ামীলীগ সমর্থক মজিদের মুখ দিয়ে এক যুদ্ধাপরাধী রাজাকারের উদ্দেশ্যে বলানো হয়েছে-“আমাদের নেতাই যখন মাপ করে দিয়েছেন, তখন তোমার উপর আমার রাগ নাইক্কা”। 

এখানেই আমি পরিস্কার ভাবে ঘোষণা দিয়ে বলতে চাই, বঙ্গবন্ধু একজন যুদ্ধাপরাধী দালাল রাজাকারকেও ক্ষমা করেননি। আমি এখানে সেই দলিলের সংক্ষিপ্ত অংশ গুলো প্রমাণ হিসাবে তুলে ধরছি। কেউ চাইলে এর পূর্ণাঙ্গ প্রামান্য দলিল-দস্তাবেজও সবই দেখতে পারে। মুক্তিযুদ্ধের সময় যেসব রাজাকার, আলবদর, আলশামস পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সদস্যদের সহায়তা করেছে ও অপরাধ সংঘটিত করেছে, তাদের বিচারের জন্য বঙ্গবন্ধুর প্রত্যক্ষ উদ্দ্যোগে ১৯৭২ সালের ২৪ জানুয়ারি The Bangladesh Collaborators (Special Tribunals) Order, 1972")PRESIDENT'S ORDER NO. 8 OF 1972) আইনটি প্রণয়ন করা হয়, যা জন-সাধারন্যে দালাল আইন নামে পরিচিত। ১৯৭৩ সালের অক্টোবর পর্যন্ত এই আইনের আওতায় ২,৮৮৪টি মামলা দায়ের করা হয়। এসব মামলায় সাজা দেওয়া হয় ৭৫২ জনকে। এদের মধ্যে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবনসহ বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিল।

সংক্ষিপ্ত আকারে কয়েকটি নামও তুলে ধরছি,-চারদলীয় জোটের শরিক খেলাফত মজলিসের মাওলানা মোহাম্মদ ইসহাককে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয়া হয়েছিল সে পাকিস্তান সেনাবাহিনী দ্বারা গঠিত ডা. মালিক মন্ত্রিসভার সদস্য ছিল। সে ২৪ মাস কারাগারে ছিল।কুমিল্লার দেবীদ্বারের দালাল আবদুল হাফিজেকে হত্যা, লুট ও ধর্ষনের দায়ে ৪১ বছরের কারাদন্ড দেয়া হয়েছিল। ডা. মালিকের মন্ত্রিসভার পূর্তমন্ত্রী মোশাররফ হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেওয়া হয়েছিল। 

বঙ্গবন্ধু ঘোষিত যে ‘সাধারণ ক্ষমা’কে নিয়ে এত প্রচারনা সেই ক্ষমায় কাদেরকে ক্ষমা করা হয়েছিল, সেটা কি কেউ পড়ে দেখে কথা বলছেন, না কি জামাত-রাজাকারদের প্রচারিত অপব্যক্ষার পিছনে না বুঝেই তালি বাজাচ্ছেন?
১৯৭৩ সালের ৩০ নভেম্বর সাধারণ ক্ষমাসংক্রান্ত প্রেসনোটে পরিস্কার বলা হয়, ‘ধর্ষণ, খুন, খুনের চেষ্টা, ঘরবাড়ি অথবা জাহাজে অগ্নিসংযোগের দায়ে দন্ডিত ও অভিযুক্তদের ক্ষেত্রে ক্ষমা প্রদর্শন প্রযোজ্য হইবে না।’ সাধারণ ক্ষমার আয়ত্বে পড়বেনা সেই ধারাগুলো হলো: ১২১ (বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালানো অথবা চালানোর চেষ্টা), ১২১ ক (বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালানোর ষড়যন্ত্র), ১২৮ ক (রাষ্ট্রদ্রোহিতা), ৩০২ (হত্যা), ৩০৪ (হত্যার চেষ্টা), ৩৬৩ (অপহরণ),৩৬৪ (হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ) ৩৬৫ (আটক রাখার উদ্দেশ্যে অপহরণ),৩৬৮ (অপহৃত ব্যক্তিকে গুম ও আটক রাখা), ৩৭৬ (ধর্ষণ), ৩৯২ (দস্যুবৃত্তি), ৩৯৪ (দস্যুবৃত্তিকালে আঘাত), ৩৯৫ (ডাকাতি), ৩৯৬ (খুনসহ ডাকাতি),৩৯৭ (হত্যা অথবা মারাত্মক আঘাতসহ দস্যুবৃত্তি অথবা ডাকাতি), ৪৩৫ (আগুন অথবা বিস্ফোরক দ্রব্যের সাহায্যে ক্ষতিসাধন),৪৩৬ (বাড়িঘর ধ্বংসের উদ্দেশ্যে আগুন অথবা বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার), ফৌজদারি দণ্ডবিধির ৪৩৬ (আগুন অথবা বিস্ফোরক দ্রব্যের সাহায্যে কোন জলযানের ক্ষতিসাধন) অথবা এসব কাজে উৎসাহ দান। 
১৯৭২ সালের ১ এপ্রিল খুলনাযর এক জনসভায় বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করেছিলেন, কেউ দালালদের জন্য সুপারিশ করলে তাকেও দালাল সাব্যস্ত করা হবে। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের পক্ষে বিবৃতি দেওয়া এবং পাকিস্তান সরকারে যোগ দেওয়া আওয়ামী লীগের গণপরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদের ২৩ জনকেবঙ্গবন্ধু বহিষ্ককার করেন।এ সময় গ্রেপ্তার ছিল মোট ৩৭ হাজার ৪৭১ জন। তাদের দ্রুত বিচারের জন্য সরকার সারা দেশে ৭৩টি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে। ’৭৩-এর অক্টোবর পর্যন্ত দুই হাজার ৮৮৪টি মামলা নিষ্কপত্তি হয়। সুনির্দিষ্ট অভিযোগে আটক থাকা প্রায় ১১ হাজার আসামির বিচার চলছিল। এ ছাড়া ৭৫২ জনের সাজাও হয়। এদের মধ্যে চিকন আলীসহ কয়েকজনের মৃত্যুদন্ড হয়েছিল। বাকিদের যাবজ্জীবন কারাদন্ড থেকে শুরু করে বিভিন্ন মেয়াদের দণ্ড হয়।

এখানে একটি প্রশ্ন অনেকেই করেন, ‘সাধারণ ক্ষমা’ তবে কেন করা হয়েছিল। তারা হয়তো সেই প্রেক্ষা পটটি জানেননা। পাকিস্তানিরা যখন শান্তি কমিটি গঠন করে তখন আওয়ামীলীগের কর্মী ছাড়া সকল থানা মহকুমা ও জেলায় স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রায় সবার নামই কমিটিতে যুক্ত করে দেয়। সে সময় কারও এতটা সাহস ছিলনা যে মৃত্যুর ঝুকি নিয়ে পাকিস্তানি সৈন্যদের কাছে গিয়ে বলবে তার নাম প্রত্যাহার করার জন্য। এ রকম অনেক শান্তি কমিটির সদস্য ভারতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন। শুধু তালিকা দেখে মামলা করলে এ ধরনের অনেক নিরীহ ব্যক্তি হয়রাণিতে পরবেন বিধায় এদেরকে মামলার বাইরে রাখার জন্যই সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে সব যুদ্ধাপরাধী মুক্তি পেয়েছিল কি ভাবে। এই সত্যটা গোপন করেই ইতিহাসটা সম্পূর্ণ পাল্টে দেয়ার চেষ্টা হয়েছিল, যা এখনও চলছে। জিয়াউর রহমান। হ্যাঁ জিয়াউর রহমানই সকল যুদ্ধাপরাধীদের মুক্ত করে দিয়ে তাদেরকে রক্ষা করেছিল।
বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ১৯৭৫ এর ৩১ ডিসেম্বর জেনারেল জিয়া সামরিক অধ্যাদেশ জারী করে দালাল আইন বাতিল করেন। থেমে যায় যুদ্ধাপরাধের বিচার কার্যক্রম। সে সময় চারটি সুনির্দিষ্ট অপরাধে কারাগারে আটক ১১ হাজার আসামি, এমনকি সাজাপ্রাপ্তরাও জেল থেকে ছাড়া পেয়ে যায়। কুষ্টিয়ার দায়রা জজ ও বিশেষ ট্রাইব্যুনালে ৮ জুন রাজাকার চিকন আলীর বিরুদ্ধে মৃত্যুদন্ডের রায় দেন। আট বছর চার মাস জেল খাটার পর দালাল আইন বাতিলের সুযোগে চিকন আলী ছাড়া পেয়ে যায়।এটাই প্রকৃত ইতিহাস।

স্বাধীনতা বিরোধীদের মত একই ভাষায় ইতিহাসের একটি মিথ্যা ব্যখ্যা মঞ্চে প্রচার করে সৈয়দ জামিল আহমেদ আমাদেরকে কোন ‘রাজনৈতিক বাস্তবতা’ বুঝাতে চেয়েছেন? নাট্য ব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদার ও আতাউর রহমান হয়তো একটু বেশি আবেগে নাটকটি প্রদর্শন বন্ধ করে দিতে বলেছেন।আমি তাঁদের সাথে পুরো একমত না হলেও বলবো তাঁরা কোনও অন্যায় কথা বলেননি।বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে মিথ্যাচার প্রসঙ্গে একজন মুক্তিযোদ্ধা আর তথাকথিত নিরপেক্ষ ব্যক্তির আবেগের পার্থক্য থাকবেই। রামেন্দু মজুমদার ও আতাউর রহমানের মত অনেক সংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে অদ্যাবধি দেশের জন্য লড়াই করছেন। শুধু শিল্প মাধ্যমে নয়, স্বাধীনতা বিরোধী, ইতিহাস বিকৃতকারী, স্বৈরাচার, সাম্প্রদায়িকতা ও যুদ্ধাপরাধের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত তাঁরা একাধারে মঞ্চে, রাজপথে, মিছিলে মিটিং-এ সশরীরে অংশ নিয়েছেন। অন্য দিকে জামিল আহমেদকে আমরা নাট্যমঞ্চের বাইরে কোথাও দেখিনি। অবশ্য এটা অপরিহার্য তা-ও আমি বলছিনা। রাজপথে নামার সাহস বা প্রয়োজন সবার থাকেনা।তাই বলে রাজনৈতিক বাস্তবতার নাম দিয়ে অবাস্তবতাকে তুলে ধরার অধিকার কোন নাট্যজনের থাকতে পারেনা। জামিল আহমেদ বিষয়টার যে ব্যখ্যা দিয়েছেন সে গুলোও খুব যুক্তিযুক্ত বলে আমার কাছে মনে হয়নি। তিনি বলেছেন, ‘লেখক উপন্যাসে যা লিখেছেন আমি শুধু তারই নাট্যরূপ দিয়েছি’।এখানে সেই উপন্যাসের বক্তব্যের সত্য-মিথ্যা নিয়ে একজন সচেতন নাট্যকারের কোনই কি দায় নেই? আবার উপরে উল্লেখিত দুইজনকে উদ্দেশ্য করে তিনি উচ্চস্বরে বলেছেন, ‘জামায়তে ইসলাম যখন সভা করে বক্তৃতা ভাষণ দেয় তখন গিয়ে তাদের বলেননা কেন, এটা বন্ধ কর’।–এই বক্তব্যটি তাঁর বালখিল্যতার ইঙ্গিত দেয়। জামাতের মিথ্যা বক্তব্য বন্ধ করার জন্য এ দেশের সংস্কৃতি কর্মীরা কি পরিমান আন্দোলন লড়াই করেছে জামিল আহমেদ তা আসলে জানেনই না। অথবা তিনি কি তবে বুঝাতে চেয়েছেন, জামাত যা করছে আমিও তাই করছি, জামাতকে না বলে আমাকে বলছো কেন? যাক, আমার জামিল আহমেদ সম্পর্কে কোনও ব্যক্তিগত বিরাগ নেই। তাঁর নির্দেশনার মান বা সৃজনশীলতার মান নিয়েও কোনও কথা নেই।শুধু রাজনীতি কেন, সমাজের যে কোনও বিষয় নিয়েই তাঁর সমালোচনা করা বা বিতর্কের অধিকারকেও আমি জোর সমর্থন করি। কিন্তু স্বধীনতা বিরোধী পক্ষ যে একটা সুপরিকল্পিত মিথ্যাচার করেছে এমন একটি চিহ্নিত মিথ্যাকে উপস্থাপন করা কোনও শিল্প মাধ্যমেরই উদ্দেশ্য হতে পারেনা।আমি জামিল আহমেদকে বর্জন করতেও বলছিনা।তাঁর মত সৃজনশীল ব্যক্তিত্ব আমদের সংস্কৃতি অঙ্গনের অনেক প্রয়োজন।তবে এ কথা চিরন্তন যে সত্য প্রকাশের জন্যই শিল্প। একটু সম্পাদনা করলেই হয়তো একটা ভুলকে সংশোধিত করে এই শিল্পকর্মটিকে তার আপন মাহাত্যে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
তবে আমি অধিক বিস্মিত হয়েছি এটা জেনে যে, এই নাটকটি নির্মিত হয়েছে সরকারী অর্থায়নে।সরকারের সংশ্লিষ্ট মহল নিশ্চয়ই স্ক্রিপটি পড়ে দেখার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেননি।