• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২০, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
প্রকাশিত: মার্চ ২৯, ২০২০, ০৪:২৪ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : মার্চ ২৯, ২০২০, ০৪:২৪ পিএম

থমকে গেছে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গন

ক্রীড়া ডেস্ক
থমকে গেছে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গন

কোভিড-১৯ এর কারণে থমকে গেছে বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গন। মাঠে নেই খেলা আর আর্থিক ক্ষতির হিসাব গুনতেই ব্যস্ত ইউরোপিয়ান ক্লাবগুলো। মেসিদের আপত্তির সত্ত্বেও বেতন কেটেছে বার্সেলোনা। আতলেতিকো মাদ্রিদও অনুসরণ করতে যাচ্ছে বার্সাকে। আর কোভিড মোকাবেলায় তহবিল গঠনে চ্যারিটি কনসার্টে অংশ নিচ্ছেন রামোস ও পিকেরা।

কোভিডের দাপটে স্থবির স্পেন। প্রাণঘাতী এ ভাইরাসের আতঙ্কে অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত সব ধরনের ফুটবল খেলা। তাই মাঠে খেলা না থাকায় গেটমানি পাচ্ছে না ক্লাবগুলো এবং বিক্রি হচ্ছে না জার্সি। সে কারণে নেই খেলার সম্প্রচার বিজ্ঞাপন ও স্পন্সর। পুরোপুরি বন্ধ আয়ের পথ। ক্ষতি কমাতে ফুটবলারদের বেতন কেটে নেয়াকে পথ হিসেবে বেছে নিয়েছে বার্সেলোনা।

প্রথমেই পারিশ্রমিক কাটার প্রস্তাবে বেঁকে বসেন মেসি ও সুয়ারেজরা। কিন্তু ফুটবলার ও ক্লাব কর্তাদের আলোচনা শেষে বেতন কমানোর সিদ্ধান্তে অনড় বার্সেলোনা। এ প্রস্তাব জোড়ালো হয়েছে ফিফার সমর্থনে। তবে ফুটবলারদের কাছ থেকে এখনো সম্মতি মেলেনি।

কোভিডের আঘাত লেগেছে বার্সেলোনার একাডেমি লা মাসিয়াতেও। কোচ ও প্রফেশনাল ফুটবলারদের বেতনের ৩০ শতাংশ কেটে রাখবে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। আর এজন্য একটি অস্থায়ী কর্মপরিকল্পনা বা ইআরটিই পাস করবে বার্সা। এতে রাজি থাকলে অন্তত ৬ মাস পর্যন্ত বেতনের পুরো অংশ পাচ্ছে না মেসিরা।

আর একই পথে হাটতে যাচ্ছে আরেক স্প্যানিশ জায়ান্ট আতলেতিকো মাদ্রিদ। ফুটবলার ও কোচিং স্টাফদের বেতন কাটার সিদ্ধান্ত আসতে পারে খুব শিগগিরই। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে যাচ্ছে ক্লাবটির ৫০০ জন ফুটবলার ও কোচিং স্টাফ। বিশ্বের সবচেয়ে দামী কোচ দিয়েগো সিমিওনের প্রতি সপ্তাহে ৭ লাখ পাউন্ড কমে অর্ধেক হতে পারে।

খেলা বন্ধ থাকায় টালমাটাল অবস্থা ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগেরও। ১০০ মিলিয়ন পাউন্ড পারিশ্রমিক কাটা হতে পারে ফুটবলারদের। যা কাজে লাগানো হবে নিম্নসারির ক্লাবগুলোর অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে। এরই মধ্যে ক্ষতি কমাতে তিনমাসের জন্য ফুটবলারদের বেতনের ২০ শতাংশ কেটে নেয়ার প্রস্তাব প্রিমিয়ার লীগের একাধিক ক্লাবের।

পে কাটের ডামাডোলেই কোভিড-১৯ মোকাবেলায় এক হয়ে লড়ছে রিয়াল মাদ্রিদ বার্সেলোনা তারকারা। রামোস, পিকে ও কাজরোলার মতো সুপারস্টাররা অংশ নিচ্ছেন চ্যারিটি কনসার্টে। যা থেকে আয়কৃত অর্থ ব্যয় করা হবে চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয়ে। ইন্ডিপেন্ডেন্ট।

এসএমএম