• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৯ আশ্বিন ১৪২৮
প্রকাশিত: আগস্ট ৪, ২০২১, ০৭:৩৯ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : আগস্ট ৪, ২০২১, ০১:৩৯ পিএম

বাংলাদেশের লক্ষ্য ১২২ রান 

টাইগারদের বোলিংয়ে ক্যাঙ্গারুদের হাঁসফাঁস

টাইগারদের বোলিংয়ে ক্যাঙ্গারুদের হাঁসফাঁস

টানা দুই টি-টোয়েন্টি ম্যাচেই টস ভাগ্য গিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে। তবে প্রথমটিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়া ম্যাথু ওয়েড বুধবার টস জিতে নেন ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত। কিন্তু এই ম্যাচেও ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি সফরকারীদের। শেষটা তো একেবারেই নয়। ৭ উইকেটে হারিয়ে ১২১ রানের বেশি অজিরা করতেই পারেনি। 

নাসুম আহমেতের ওভারে দুই চার মারা অ্যালেক্স কেয়ারিকে বেশিক্ষণ টিকতে দিলেন না মেহেদি হাসান। এই অফ স্পিনারের বলে মিড অনে ক্যাচ নিলেন নাসুম।অফ স্টাস্পের বাইরে ফুল লেংথ বল লেগে টেনে খেলতে চেয়েছিলেন কেয়ারি। ঠিক মতো পারেননি। ব্যাটের কানায় লেগে মিড অনে যাওয়া ক্যাচ মুঠোয় জমান নাসুম। দুই চারে ১১ বলে ১১ রান করেন কেয়ারি। অজিদের স্কোর তখন ১৩।  

পাওয়ার প্লে শেষ ওভারে বোলিংয়ে এসে উইকেট পেলেন মুস্তাফিজুর রহমান। দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড করে দিলেন জশ ফিলিপিকে। শর্ট অব লেংথ ডেলিভারি সরে গিয়ে লেগে খেলতে চেয়েছিলেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। স্লোয়ার বল খেলতে পারেননি ব্যাটে। অনেকটা ভেতরে ঢুকে ছোবল দেয় স্টাম্পে। এক চারে ১৪ বলে ১০ রান করেন ফিলিপি।

মন্থর শুরুর পর দলকে টানলেন মিচেল মার্শ ও মইসেস হেনরিকস। তাদের ব্যাটে সিরিজে প্রথম পঞ্চাশ রানের জুটি পেল অস্ট্রেলিয়ার। অস্ট্রেলিয়ার জমে যাওয়া জুটি ভাঙলেন সাকিব আল হাসান। দারুণ এক ডেলিভারিতে মোইজেস হেনরিকেসকে বোল্ড করে দিলেন বাঁহাতি এই স্পিনার। সাকিবকে স্লগ করতে চেয়েছিলেন হেনরিকেস। কিন্তু বলে-ব্যাটে করতে পারেননি। এলোমেলো হয়ে যায় স্টাম্প; ভেঙে যায় ৫২ বল স্থায়ী ৫৭ রানের জুটি।

আক্রমণে ফেরা শরিফুল ইসলামের উপর শুরু থেকেই চড়াও হতে চেয়েছিলেন মিচেল মার্শ। তেড়েফুড়ে মারতে গিয়ে ঠিক মতো খেলতে পারেননি ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। ক্যাচ গ্লাভসে জমান নুরুল হাসান সোহান।  ৪২ বলে পাঁচ চারে ৪৫ রান করেন মার্শ। প্রথম ম্যাচ একই স্কোরে ফিরেছিলেন তিনি। সফরকারীদের স্কোর তখন ৪ উইকেটে ৯৯।

খানিক পর মুস্তাফিজের জোড়া আঘাত। চড়াও হতে গেলেন ম্যাথু ওয়েড। অফের দিকে সরে গিয়ে ফাইন লেগ দিয়ে খেলার চেষ্টায় হলেন বোল্ড। উপড়ে গেল স্টাম্প। ৭ বলে ৪ রান করেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক। পরের বলে মিলে অ্যাশটন অ্যাগারের উইকেট। গুড লেংথ বল কাট করতে চেয়েছিলেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। তার প্রত্যাশার চেয়ে বাড়তি লাফিয়ে ও ভেতরে ঢুকে গ্লাভস ছুঁয়ে জমা পড়ে নুরুল হাসান সোহানের গ্লাভসে। মুস্তাফিজের হ্যাটট্রিক ঠেকিয়ে দেন মিচেল স্টার্ক।

শরিফুল ইসলামের বলে সহজ ক্যাচ দিয়ে ফেরেন অ্যাশটন টার্নার। বাঁহাতি পেসারের ব্যাক অব লেংথ ডেলিভারি উড়িয়ে কাট করতে চেয়েছিলেন টার্নার। টাইমিং হয়নি একেবারেই। একটু সরে গিয়ে ক্যাচ মুঠোয় জমান মাহমুদউল্লাহ। ৭ বলে ৩ রান করেন টার্নার।