• ঢাকা
  • শনিবার, ০৭ ডিসেম্বর, ২০১৯, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
প্রকাশিত: জুলাই ৩০, ২০১৯, ০৮:৫৫ এএম
সর্বশেষ আপডেট : জুলাই ৩০, ২০১৯, ০৮:৫৮ এএম

আসন সমস্যা

মধ্যরাতে আন্দোলনে জাবি ছাত্রীরা

জাগরণ প্রতিবেদক
মধ্যরাতে আন্দোলনে জাবি ছাত্রীরা
আন্দোলনরত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের ছাত্রীরা


হলের আসন সমস্যা সমাধানের দাবিতে মধ্যরাতে আন্দোলনে নেমেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের ছাত্রীরা। গতকাল সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে আসন সমস্যা সমাধানের দাবিতে হলের সামনে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। তারা বিক্ষোভ করেন হলের সামনে। করিডোরে মিছিলও করেন তারা। এর আগে রাত ১০টার দিকে হলের আসন ও ক্যান্টিন সমস্যা সমাধানসহ হল প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে হলের সামনে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা তাদের ৭ দফা দাবি জানায়।

দাবিগুলো হচ্ছে, হলে শিক্ষার্থীদের সাথে দুর্ব্যবহারের জন্য হলের প্রাধ্যক্ষ ও হাউজ টিউটরদেরকে জনসম্মুখে ক্ষমা চাইতে হবে, শিক্ষার্থীদের হলের কোন সিট বাতিল করা যাবে না এবং রুমে অতিরিক্ত সিট দেয়া যাবে না, কোন তলায় কিচেন বন্ধ হবে না এবং কিচেনে কোন ছাত্রী থাকবে না, হলে কোন উপস্থিতি সিস্টেম চালু করা যাবে না, ডাইনিং চালু করতে হবে ছাত্রীদের কথা অনুযায়ী, ডাইনিংয়ের সামগ্রিক কাজ পর্যবেক্ষণ করবে শিক্ষার্থীরা। ক্যান্টিন মালিক ১৫ দিনের মধ্যে পরিবর্তন করতে হবে এবং ৪৭তম আবর্তনকে অতি সত্বর সিটের ব্যবস্থা করে দিতে হবে। পরবর্তীতে হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মুজিবুর রহমান লিখিত ভাবে আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা হলে ফিরে যান।

পরে দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা আবারো আসনের দাবিতে অবস্থান নেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা সহপাঠীরা রুমে রুমে, আমরা কেন গণরুমে, প্রভোস্ট ঘুমায়, আমাদের ঘুম নাই, ইত্যাদি শ্লোগান দিতে থাকে। এ সময় প্রাধ্যক্ষ কমিটির সভাপতি অধ্যাপক বশির আহমেদ, ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসানসহ অন্যান্য শিক্ষকরা এসে ছাত্রীদের বারবার বুঝানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।

এ বিষয়ে আন্দোলনরত ছাত্রী ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের আবাসিক শিক্ষার্থী তাপসী দে প্রাপ্তি দৈনিক জাগরণকে বলেন, একটা আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া সত্ত্বেও আমরা দীর্ঘ ১৮ মাস ধরে গণরুমে থাকছি। বিশ্ববিদ্যালয় ও হল প্রশাসন বারবার আশ্বাস দেওয়ার পরও কোন সমাধান করতে পারেনি। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোন আশ্বাসে আর বিশ্বাস করতে চাই না।

এইচএম/আরআই

আরও পড়ুন