• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই, ২০২০, ২৫ আষাঢ় ১৪২৭
প্রকাশিত: জুন ২৭, ২০২০, ০২:৪২ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : জুন ২৭, ২০২০, ০৯:০৭ পিএম

কোভিড-১৯

আরও ৩৪ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩৫০৪

এসএম মুন্না
আরও ৩৪ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৩৫০৪
অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা

আক্রান্তের ১১২তম দিন 

.....

গত ২৪ ঘণ্টা দেশে মারা গেছেন আরও ৩৪ জন। এর মধ্যে ৩২ জন পুরুষ ও ৪ জন নারী। এ নিয়ে মোট প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে গিয়ে দাঁড়াল ১ হাজার ৬৯৫ জনে।

বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে ঢাকা বিভাগে ১৩ জন, চট্টগ্রামের ১০ জন এবং অন্যান্য বিভাগের ১১ জন।

বয়স ভিত্তিক বিশ্লেষণে ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৭ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ১৩ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৬ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৬ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১ জন এবং ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ১ জন। 

গত ২৪ ঘণ্টায় ( শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) দেশে নতুন করে ৩ হাজার ৫০৪ জনের দেহে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) শনাক্ত হয়েছে।

এ নিয়ে মোট শনাক্ত হলেন ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৭৮ জন।

আইইডিসিআর এর বরাত দিয়ে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১৮৫ জন সহ মোট সুস্থ হয়েছেন ৫৪ হাজার ৩১৮ জন। 

শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এসব তথ্য তুলে ধরেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।

ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে মোট ৬৬টি ল্যাবের মধ্যে গত ২৪ ঘন্টায় ৫৮টি ল্যাব থেকে ১৫ হাজার ৫৯ টি নমুনা সংগ্রহ হয়েছে। নতুন-পুরাতন মিলিয়ে নমুনা পরীক্ষা করা হয় ১৫ হাজার ১৫৭টি। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৭ লাখ ১২ হাজার ৯৮ টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনের নেয়া হয়েছে ৭২৬ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনের আছেন ২৪ হাজার ৯৩ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ২৫৯ জন, এ পর্যন্ত মোট ছাড় পেয়েছেন ৯ হাজার ৮২৬ জন। বর্তমানে মোট আইসোলেশনে আছেন ১৪ হাজার ২৬৭ জন।

নমুনা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৩ দশমিক ১২ শতাংশ। সুস্থতার হার ৪০ দশমিক ৫৪ ও মৃত্যুর হার ১ দশমিক ২৭ শতাংশ। 

এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৮ দশমিক ৮১ শতাংশ।

শুক্রবার (২৬ জুন) শনাক্ত হয় ৩ হাজার ৮৬৪ ও মারা যায় ৪০ জন। 

গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তের পরীক্ষা শুরু করে। ৮ মার্চ দেশে প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। ১৮ মার্চ প্রথম কোনও করোনা রোগী মারা যায়।

চলতি মাসের ১ জুন ২,৩৮১, ২ জুন ২,৯১১, ৩ জুন ২,৬৯৫, ৪ জুন ২,৪২৩, ৫ জুন ২,৮২৮, ৬ জুন ২,৬৩৫, ৭ জুন ২,৭৪৩, ৮ জুন ২,৭৩৫, ৯ জুন ৩,১৭১ জন, ১০ জুন ৩,১৯০, ১১ জুন ৩, ১৮৭, ১২ জুন ৩,৪৭১ ও  ১৩ জুন ২,৮৫৬, ১৪ জুন ৩,১৪১, ১৫ জুন ৩,০৯৯, ১৬ জুন ৩,৮৬২, ১৭ জুন ৪,০০৮, ১৮ জুন ৩,৮০৩, ১৯ জুন ৩,২৪৩, ২০ জুন ৩,২৪০,  ২১ জুন ৩,৫৩১, ২২ জুন ৩,৪৮০, ২৩ জুন ৩,৪১৩, ২৪ জুন ৩,৪৬২, ২৫ জুন ৩,৯৪৬ ও ২৬ জুন ৩,৮৬৮ জন শনাক্ত হয়।

দেশে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড আছে ৫৩ জনের। সে তথ্য জানান হয় ১৬ জুনের বুলেটিনে। আর সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড আছে ৪ হাজার ৮ জনের। এ তথ্য জানান হয় ১৭ জুনের বুলেটিনে।

বুলেটিনে বরাবরের মতো করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকতে সবাইকে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, মুখে মাস্ক পরা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান ডা. নাসিমা।

বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণ চূড়া বা পিকের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে। গবেষকদের ধারণা, আরো দুই সপ্তাহ পর শনাক্তের হার কমতে শুরু করবে। বিভিন্ন দেশে করোনার চাল-চিত্র বিশ্লেষণ করে এমন আভাস দিচ্ছেন তারা। তবে কেউ কেউ বলছেন, নিশ্চিত ধারণা পেতে নমুনা পরীক্ষা আরো বাড়াতে হবে।

বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় ৮ মার্চ। এখন চলছে ১৬ সপ্তাহ। প্রথম শনাক্তের ২৮ দিন পর ৬ এপ্রিল কোভিড-নাইনটিন রোগীর সংখ্যা ১০০ ছাড়ায়, ১৪ এপ্রিল ছাড়ায় এক হাজার। ১০ হাজার ছাড়ায় ৪মে, ২০ হাজার ১৫ মে এবং ৫০ হাজার ছাড়ায় গত ২ জুন। এর পরের ৫০ হাজার বেড়েছে মাত্র ১৬ দিনে। গত ৩ সপ্তাহ ধরে ঊর্ধ্বমুখি সংক্রমণ ও মৃত্যুর গড় সংখ্যা মোটামুটি একই জায়গায় রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি আর না বাড়লে চলতি সময়কে পিকটাইম বলা যেতে পারে।

দু্ই সপ্তাহ পর কমতে পারে করোনা সংক্রমণ

দেশে এখন পর্যন্ত ৫ দশমিক ৫ পরীক্ষায় একজনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। ভারতে ১৭ জনে একজন, পাকিস্তানে ৬ জনে একজন এবং ভুটানে ৩৩২ জনে ১ জন শনাক্ত হয়েছে। বাংলাদেশে বর্তমান সংক্রমণের হার অব্যাহত থাকলেও প্রতিদিন অন্তত ২০ হাজার পরীক্ষা করার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের।

বিশেষজ্ঞরা জানান, পিক টাইমের পর যে কোনI ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। আর সংক্রমণ দ্রুত দমন করতে পারলে, পিক টাইমের স্থায়ীত্বও কমে আসে।

বলা হয় করোনাভাইরাসের উৎপত্তি চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে। কিন্তু এর ভয়াবহতা দেখেছে বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ।

এর মধ্যে প্রথমেই আসে ইতালির নাম। দেশটিতে করোনা সংক্রমণ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায় ৪৫ দিনে। স্পেন ৫০ দিনে ও যুক্তরাষ্ট্র ৫৫ দিনে। যুক্তরাজ্যে সংক্রমণের পিক টাইম স্থায়ী ছিল ৪২ দিন।

ভারতের পরিস্থিতি

সংক্রমণ পাঁচ লাখ ছাড়িয়ে গেল। এক থেকে দুই লাখ ১৫ দিন। দুই থেকে তিন ১০ দিন। তিন থেকে চার ৮ দিন। চার থেকে পাঁচ লাখে পৌঁছতে লাগল মাত্র ৬ দিন। এ ভাবেই দেশে বেড়েছে কোভিডে আক্রান্তের সংখ্যা। দ্রুত হারে আক্রান্ত বৃদ্ধির এই পরিসংখ্যান প্রশাসন থেকে বিশেষজ্ঞ-চিকিৎসকদের কপালে ভাঁজ ফেলতে যথেষ্ট। এখন দেশে লকডাউনের কঠোরতা উঠে গেছে। লোকাল ট্রেন, মেট্রো এবং আন্তর্জাতিক উড়ান বাদে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রায় পুরোটাই চালু। তাই রাস্তা-ঘাটে ভিড়ও বেড়েছে। তার ওপর এভাবে সংক্রমণ বাড়তে থাকলে শেষ পর্যন্ত তা কোথায় গিয়ে থামবে, সে নিয়ে যথেষ্ট চিন্তার কারণ রয়েছে।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৮ হাজার ৫৫২ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন। এক দিনে আক্রান্তের নিরিখে যা সর্বোচ্চ। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হল পাঁচ লাখ আট হাজার ৯৫৩ জন।

আক্রান্তের পাশাপাশি মৃত্যুও ধারাবাহিক ভাবে বাড়ছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্য অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৮৪ জনের প্রাণ কেড়েছে করোনা। এ নিয়ে দেশে মোট মৃত্যু হল ১৫ হাজার ৬৮৫ জনের। এর মধ্যে মহারাষ্ট্রেই মৃত্যু হয়েছে সাত হাজার ১০৬ জনের।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে রাজধানী দিল্লিতে মৃত্যু ধারাবাহিক ভাবে বেড়েছে। করোনার প্রভাবে সেখানে মোট দু’হাজার ৪৯২ জনের মৃত্যু হল।

তৃতীয় স্থানে থাকা গুজরাতে মারা গিয়েছেন এক হাজার ৭৭১ জন। চলতি মাসে তামিলনাড়ুতেও ধারাবাহিকভাবে বাড়ল করোনা প্রাণহানি। যার জেরে বেশ কয়েকটি রাজ্যকে টপকে তালিকার উপরের দিকে উঠে এসেছে দক্ষিণের এই রাজ্য। সেখানে এখনও অবধি ৯৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর পরই তালিকায় রয়েছে উত্তরপ্রদেশ (৬৩০), পশ্চিমবঙ্গ (৬১৬) ও মধ্যপ্রদেশ (৫৪৬)। এ ছাড়া শতাধিক মৃত্যুর তালিকায় রয়েছে রাজস্থান (৩৮০), তেলঙ্গানা (২৩৭), হরিয়ানা (২১১), কর্নাটক (১৮০), অন্ধ্রপ্রদেশ (১৪৮) ও পঞ্জাব (১২২)।

৩০ জানুয়ারি কেরলে দেশের প্রথম করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। চীনের উহান থেকে ফিরেছিলেন সেই ব্যক্তি। তার পর কেটে গেছে চার মাসেরও বেশি। ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়েছে এই ভাইরাস। কোনও কোনও রাজ্যে তা ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করেছে। শুরুর ধাক্কা কাটিয়ে করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি রুখে দিয়েছিল কেরল। কিন্তু মহারাষ্ট্রে তা বল্গাহীন ভাবেই বেড়েছে। গোড়া থেকেই এই রাজ্য কার্যত সংক্রমণের শীর্ষে ছিল। তার পর সময় যত গড়িয়েছে, এই রাজ্য নিয়ে সারা দেশের শঙ্কা বেড়েছে। দেড় লাখ সংক্রমণ ও সাত হাজারের উপর মৃত্যু নিয়ে দেশের শীর্ষে রয়েছে সে। গত ২৪ ঘণ্টায় পাঁচ হাজার ২৪ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন সেখানে। এ নিয়ে সেখানে মোট আক্রান্ত হলেন এক লাখ ৫২ হাজার এত জন। দিল্লিতেও রোজদিন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। বেশ দ্রুতগতিতে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে সেখানে। এখনও অবধি মোট আক্রান্ত ৭৭ হাজার ২৪০ জন আক্রান্ত হয়েছেন দেশের রাজধানীতে। তৃতীয় স্থানে থাকা তামিলনাড়ুতে মোট আক্রান্ত ৭৪ হাজার ৬২২ জন। চতুর্থ স্থানে থাকা গুজরাটে মোট আক্রান্ত ৩০ হাজার ৯৫ জন।

উত্তরপ্রদেশও আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়েছে। সেখানে মোট আক্রান্ত ২০ হাজার ৯৪৩ জন। করোনা সংক্রমণের হিসাবে এর পর রয়েছে রাজস্থান, পশ্চিমবঙ্গ, মধ্যপ্রদেশ, হরিয়ানা, তেলঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ ও কর্নাটক। এই সব রাজ্যগুলো ১০ হাজারের গণ্ডি পার করে এগিয়ে চলেছে। রাজস্থান (১৬,৬৬০), পশ্চিমবঙ্গ (১৬,১৯০), হরিয়ানা (১২,৮৮৪), মধ্যপ্রদেশ (১২,৭৯৮), তেলঙ্গানা (১২,৩৪৯), অন্ধ্রপ্রদেশ (১১,৪৮৯) ও কর্নাটকে (১১,০০৫) জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

লকডাউন শিথীল হতে পশ্চিমবঙ্গেও বাড়ছে সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৪২ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন এ রাজ্যে। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত হলেন ১৬ হাজার ১৯০ জন। কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মোট ৬১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে রাজ্যে।

ভারতে করোনা রোগীর সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যাটা বেশ স্বস্তিদায়ক। এখন দেশে সুস্থ হয়ে ওঠা করোনা রোগীর সংখ্যা সক্রিয় করোনা আক্রান্তের (মোট আক্রান্ত থেকে মৃত ও সুস্থ হয়ে ওঠা বাদ দিয়ে) সংখ্যার চেয়ে বেশি। দেশে মোট আক্রান্তের অর্ধেকেরও বেশি সুস্থ হয়ে উঠেছেন। সুস্থ হওয়ার সংখ্যাটা ইতিমধ্যেই তিন লাখ ছুঁইছুঁই। গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ হাজার ২৪৪ জন সুস্থ হয়েছেন। এ নিয়ে মোট দু’লাখ ৯৫ হাজার ৮৮১ জন করোনার কবল থেকে মুক্ত হলেন।

বিশ্ব পরিস্থিতি

জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (২৭ জুন) সকাল পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ৯৭ লাখ ৭৬ হাজার ৯৬৩ জনে এবং মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৬০৯ জন।

কোভিড-১৯ থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন সারা বিশ্বের ৪৮ লাখেরও বেশি মানুষ।

জেএইচইউ-এর তথ্য অনুসারে, শনিবার (২৭ জুন) পর্যন্ত ব্রাজিল ও রাশিয়া যথাক্রমে ১২ লাখ ৭৪ হাজার ৯৭৪ এবং ৬ লাখ ১৯ হাজার ৯৩৬ জন কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগী নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পর দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।

করোনায় ব্রাজিলে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৫৫ হাজার ৯৬১ জনের এবং রাশিয়ায় মারা গেছেন ৮ হাজার ৭৭০ জন। 

রাশিয়ার পর সবচেয়ে বেশি করোনা আক্রান্ত রোগী নিয়ে তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারত। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন চার লাখ ৯০ হাজারেরও বেশি মানুষ।

করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত যুক্তরাষ্ট্রে এ পর্যন্ত প্রায় ২৫ লাখ মানুষ আক্রান্ত এবং মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার ৪৬ জনের।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীন থেকে সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর বিশ্বব্যাপী এ পর্যন্ত ২১৩টিরও বেশি দেশে ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। গত ১১ মার্চ করোনাভাইরাস সংকটকে মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

এসএমএম

আরও পড়ুন