• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর, ২০১৯, ৩ কার্তিক ১৪২৬
প্রকাশিত: অক্টোবর ৮, ২০১৯, ০৩:২৮ পিএম
সর্বশেষ আপডেট : অক্টোবর ৮, ২০১৯, ০৩:৩৬ পিএম

বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসব

জাগরণ প্রতিবেদক
বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসব

দশমীতে প্রতিমা বিসর্জন শান্তি, সমৃদ্ধি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনায় দেশ গড়ার প্রত্যয়ে শেষ হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসব।

মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন মণ্ডপ থেকে বাদ্যি-বাজনা, মন্ত্রোচ্চারণ ও পূজা-অর্চনার মধ্য দিয়ে বিকেলে হবে বিজয়ার শোভাযাত্রা। পরে সদরঘাট, বুড়িগঙ্গা নদী ও মিরপুরের বেড়িবাঁধে বিসর্জন শেষে ‘শান্তিজল’ গ্রহণ করবেন ভক্তরা।

আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের দশমী তিথিতে শ্বশুরবাড়ি কৈলাসে পাড়ি দেন দেবী দুর্গা। বিষাদের সুরেই দিনটিকে বিজয়া হিসেবে পালন করে মর্ত্যবাসী।

পুরাণে কথিত আছে, মহিষাসুরের সঙ্গে ৯ দিন ৯ রাত যুদ্ধের পর দশম দিনে জয় লাভ করেন দেবী দুর্গা। সেই জয় উদযাপনই বিজয়া দশমী।

একে অপরকে মিষ্টিমুখ করিয়ে সেই উদযাপন করা হয়। চলে কোলাকুলি। নারী শক্তির জাগরণে মা দুর্গার পায়ে সিঁদুর ছুইয়ে আনন্দে মেতে ওঠেন বাঙালি নারীরা।

দশমীতে শান্তি, সমৃদ্ধি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনায় সুন্দর দেশ গড়ার প্রত্যয় ভক্তদের। বিজয়ায় মায়ের আশীর্বাদ নিয়ে সত্যের পথে চলা ও অসত্যের বিনাশই জীবনের লক্ষ্য হওয়া উচিৎ বলে মনে করেন পুরোহিত।

এবার সব সম্প্রদায়ের মানুষের সহযোগিতায় নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপন হওয়ায় সন্তোষ জানান আয়োজকরা।

ঢাকেশ্বরী মন্দিরের প্রধান পুরোহিত রঞ্জিত চক্রবর্তী বলেন, মায়ের ঘোড়ায় চেপে আসা অমঙ্গলের লক্ষণ। কিন্তু আমরা প্রার্থনা করেছি, করুণাময়ী মা যেন সব অকল্যাণ থেকে আমাদের গোটা পৃথিবীকে রক্ষা করেন।

মহানগর পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কিশোর রঞ্জন মণ্ডল বলেন, এবারও দুপুরের মধ্যে নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিমা নিয়ে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে আসছেন পূণ্যার্থীরা। 

বনানী পূজামণ্ডপ থেকে গুলশান ২ নম্বর, ১ নম্বর, মহাখালী, বিমানবন্দর ও উত্তরা হয়ে তুরাগে যাবে বলে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি মিলন কান্তি দত্ত জানান।

সারাদেশে ৩১ হাজার ১০০ মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে রাজধানীতে পূজা হয়েছে ২৩৭টি মণ্ডপে।

এসএমএম

আরও পড়ুন

Islami Bank